আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৫৩

চিকিৎসাশাস্ত্রে যৌথভাবে ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন কার্ল ডেইসেরথ, পিটার হেগম্যান এবং জর্জ নাগেল। ছবি: সংগৃহীত
‘লাইট-গেটেড আয়ন চ্যানেল’ (light-gated ion channels) ও ‘অপটোজেনেটিক্স’ (optogenetics) বিষয়ক আবিষ্কারের জন্য কার্ল ডেইসেরথ, পিটার হেগম্যান এবং জর্জ নাগেল-কে যৌথভাবে চিকিৎসাশাস্ত্রে ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল অ্যাসেম্বলি।
হেগমান ও নাগেল ‘চ্যানেলরোডপসিন’ নামের একটি বিশেষ প্রোটিন আবিষ্কার করেন। তারা দেখতে পান, এই প্রোটিন কোনো কোষে প্রবেশ করানো হলে কোষটি আলোতে সংবেদনশীল হয়ে ওঠে—কোষটি যে ধরনেরই হোক না কেন।
পরে কার্ল ডেইসেরথ ইঁদুরের স্নায়ুকোষে চ্যানেলরোডপসিনের জিন প্রবেশ করান। নীল আলো দিয়ে কোষগুলোতে আলো ফেললে তিনি স্নায়ু সংকেত সৃষ্টি করতে সক্ষম হন। পরবর্তী সময়ে জীবিত ইঁদুরের মস্তিষ্কেও আলো ব্যবহার করে স্নায়ুকোষ নিয়ন্ত্রণের এই পদ্ধতি সফলভাবে প্রয়োগ করেন তিনি।
আলো ব্যবহার করে এভাবে স্নায়ু সংকেত নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতিটিই ‘অপ্টোজেনেটিকস’ নামে পরিচিত। আবিষ্কারের পর থেকে গবেষণাক্ষেত্রে এ প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত হয়েছে।

