আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৭

গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দুবাই থেকে ইসরাইলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি যাত্রীবাহী বিমান সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করে। ছবি: এপি
সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাম আল-হামামির লিংকডইন প্রোফাইল অনুযায়ী ২০১৮ থেকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সাত বছর ওমান এয়ারে কাজ করেছেন। এরপর ২০২৫ সালের জুনে মরক্কোর রয়্যাল এয়ার মারোকে যোগ দেন। পরে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে সেখান থেকে চাকরি ছেড়ে দেন।
তবে লিংকডইন প্রোফাইলে ফ্লাইদুবাইয়ে কাজ করার কথা উল্লেখ ছিল না। বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্র সিএনএনকে নিশ্চিত করেছে, প্রোফাইলটি হামাম আল-হামামিরই ছিল। এতে আরও বলা হয়েছে, তিনি ইংল্যান্ডের বাকিংহামশায়ার নিউ ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়টির এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সিএনএন জানায়, তিন বছর অনলাইনে পড়াশোনা করে ২০২৩ সালে এভিয়েশন ম্যানেজমেন্টে ডিগ্রি অর্জন করেন।
সিএনএন আরও জানিয়েছে, হামাম আল-হামামির এক্স ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও মুছে ফেলা হয়েছে। হামলার পর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দুটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দুবাই থেকে ইসরাইলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি যাত্রীবাহী বিমান সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করে। বিমানের দুই পাইলটের মধ্যে মারামারির ঘটনায় জরুরি সংকেত পাঠানো হলে কিছু সময়ের জন্য বিমান ছিনতাইয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়।
জর্ডানের আকাশসীমায় থাকা অবস্থায় বিমানটি গতিপথ পরিবর্তন করে সৌদি আরবের দিকে চলে যায়। এ সময় বিমানটি তিনটি জরুরি সংকেত পাঠায়। এর একটিতে বিমানে সম্ভাব্য ‘বেআইনি হস্তক্ষেপের’ সংকেত দেয়া হয়।
পাইলটদের মধ্যে কথিত হাতাহাতির সময় বিমানটি দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে এটি প্রায় ১৬ হাজার ফুট নিচে নেমে যায়।

