আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:৪৯

কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ইসলামাবাদ অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেছে তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)।
কারাবন্দী সাবেক ক্রিকেটার ও রাজনীতিবিদ ইমরান খানের প্রতিষ্ঠিত দল পিটিআই যখন ইসলামাবাদ অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেছে, তখন কেন্দ্রীয় সরকার খাইবার পাখতুনখাওয়ায় গভর্নর শাসন কিংবা জরুরি অবস্থা জারির বিষয়টি বিবেচনা করছে; যেখানে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন পিটিআই’র সোহেল আফ্রিদি।
তবে কেন্দ্রীয় সরকারের অভিযোগ, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সহযোগিতার ক্ষেত্রে প্রাদেশিক সরকার পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ডন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ৪ অক্টোবর খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের লাক্কি মারওয়াত শহর থেকে ইসলামাবাদ অভিমুখে পিটিআই-এর লং মার্চ শুরু করেন আফ্রিদি। ২৭ সেপ্টেম্বর এই কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল; তবে পিটিআই ও ইসলামাবাদের মধ্যে আলোচনা অচলাবস্থায় পর্যবসিত হওয়ার পরই রোববার এই লংমার্চ শুরু হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আফ্রিদির নেতৃত্বে পরিচালিত এই লংমার্চ রোববার গভীর রাতে ইসলামাবাদ থেকে প্রায় ২৫৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কারাক জেলায় এসে পৌঁছায়। পিটিআই-এর বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসবাদীদের সহায়তা করার’ অভিযোগ আনা কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ এখন সেখানে ‘গভর্নর শাসন’ বা রাষ্ট্রপতির শাসন জারির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে; এমনকি সরকারি সূত্রের বরাতে দ্য ডন সোমবার (৫ অক্টোবর) জানিয়েছে, সেখানে ‘জরুরি অবস্থা জারি হতে চলেছে’।
পিটিআই-এর লং মার্চ শুরুর পর, করাচি-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়, খাইবার পাখতুনখোয়ার গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্দি রোববার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘প্রদেশটিকে বাঁচাতে যদি জরুরি অবস্থা জারি করা প্রয়োজন হয়, তবে আমরা অবশ্যই তা জারি করব।’
ফয়সাল করিম মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের সতর্ক করে বলেছেন, ‘যদি জরুরি অবস্থা জারি করা হয়, তবে তাদের মোকাবিলার জন্য আমি একাই যথেষ্ট। পিটিআই কর্মীরা বর্তমানে লুকিয়ে থাকছেন এবং স্বেচ্ছায় গ্রেপ্তার হচ্ছেন।’

