খেলা ডেস্ক
প্রকাশ: ১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৬

সেমিফাইনালে ব্যাট হাতে সাহেবজাদা ফারহান। ছবি: পিসিবি
বৃষ্টির কারণে ২০ ওভারের ম্যাচ কমে এসেছিল ১৩ ওভারে। ব্যাটাররাও স্কোরকার্ডে পর্যাপ্ত রান জমা করতে পারেনি। বল হাতে বাংলাদেশের শুরুটা অবশ্য ছিল আশা জাগানিয়া। ১৬ রানেই দুই ওপেনারকে বিদায় করলেও সাইম আইয়ুব ও উসমান খানের ছোট জুটির পর আব্দুল সামাদ আর হাসান নাওয়াজ বাংলাদেশি বোলারদের ওপর চালালেন স্টিমরোলার। তাতেই অনায়াসেই ফাইনাল নিশ্চিত পাকিস্তানের।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশের সোনা জয়ের স্বপ্ন ধুলিস্মাৎ করে দিয়েছে পাকিস্তান। ১৩ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে বাংলাদেশের দেয়া ১১২ রানের লক্ষ ৬ উইকেট ও ৯ বল হাতে রেখেই পেরিয়ে গেছে পাকিস্তান।
১১২ রানের লক্ষে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই সাহেবজাদা ফারহানকে হারায় পাকিস্তান। ১ রান করে শেখ মেহেদীর শিকার হন তিনি। দ্বিতীয় ওভারে মাআজ সাদাকাতকে বিদায় করেন নাসুম আহমেদ। ৭ বলে ১৫ রান করেন তিনি।
দ্রুত ২ উইকেট হারালেও উসমান খান ও সাইম আইয়ুবের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় পাকিস্তান। দারুণ খেলতে থাকা আইয়ুবকে বিদায় করেন মোস্তাফিজুর রহমান। তার আগে ১২ বলে ১ চার ও ২ ছক্কায় ২১ রান করেন তিনি।
সপ্তম ওভারে উসমান খান আউট হন রিশাদের বলে। ৯ বলে ১৪ রান করেন তিনি।
তখন পর্যন্ত ম্যাচে ভালোভাবেই টিকে ছিল বাংলাদেশ। জয়ের জন্য ৪১ বলে তখনও পাকিস্তানের দরকার ৫৯ রান। কিন্তু হাসান নাওয়াজ আর আব্দুল সামাদের তাণ্ডবে ক্রমে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে টাইগাররা।
নবম ওভার শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৭৬ রান। কিন্তু মোস্তাফিজের পরের ওভারেই কার্যত ম্যাচ শেষ হয়ে যায়। এই ওভারে সামাদ টানা পাঁচ বলে মোস্তাফিজকে ১টি ছক্কা ও ৪টি চার মারেন। সেই ওভার থেকে আসে ২৩ রান!
শেখ মেহেদী পরের ওভারে ৯ রান দিলে খেলা ১২তম ওভারে গড়ায়। সেই ওভারের তৃতীয় বলে রিশাদকে ৪ মেরে ফাইনাল নিশ্চিত করেন নাওয়াজ।
সামাদ ১৫ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৩০ রান এবং নাওয়াজ ২২ বলে ২টি করে চার ও ছক্কায় ২৭ রান করে অপরাজিত থাকেন।
বাংলাদেশের পক্ষে মেহেদী, নাসুম, মোস্তাফিজ ও রিশাদ ১টি করে উইকেট শিকার করেন।
এর আগে তাওহীদ হৃদয়ের ২৫ বলে ৪২ রানের ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ ১৩ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১১১ রান সংগ্রহ করে।
সুফিয়ান মুকিম ৩টি এবং আরাফাত মিনহাস ২ উইকেট শিকার করে বাংলাদেশকে অল্পে বেঁধে রাখেন।

