মহানগর ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৩

দীর্ঘদিন ধরে আরএএফ ফেয়ারফোর্ড মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি অগ্রবর্তী অপারেশন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ছবি: এপি
তিনি জানান, ঘাঁটিতে থাকা সব মার্কিন বোমারু বিমান যুক্তরাষ্ট্রে নিজেদের ঘাঁটিতে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে। তবে কেন এসব বিমান সরিয়ে নেয়া হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো কারণ জানায়নি ওয়াশিংটন।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর গ্লুচেস্টারশায়ারের ওই বিমানঘাঁটির কাছে তিনটি ‘সন্দেহজনক যানবাহন’ দেখতে পাওয়ার পর পুলিশকে খবর দেয়া হয়।
ঘাঁটির কাছে সন্ত্রাসবাদ-সংশ্লিষ্ট অপরাধের সন্দেহে প্রথমে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের জামিনে ছেড়ে দেয়া হয়। এরপর যুক্তরাজ্য ও ইরানের দ্বৈত নাগরিক ২৫ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তিকেও গ্রেফতার করে জামিনে মুক্তি দেয়া হয়।
হোয়াইটহলের (ব্রিটিশ সরকারে) কর্মকর্তারা ওয়াশিংটনের এই সিদ্ধান্ত ওই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত—এমন ধারণা নাকচ করেননি।
বিবিসি জানিয়েছে, এটি রাজনৈতিক নয়, বরং সামরিক ও অপারেশনাল পর্যায়ে নেয়া সিদ্ধান্ত। মার্কিন সামরিক বাহিনী ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করেছে। যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
ঘটনার কয়েক দিন পর প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বলেছিলেন, এতে ইরানের জড়িত থাকার জোরালো ইঙ্গিত রয়েছে। তবে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি। তেহরান অবশ্য এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে।
দীর্ঘদিন ধরে আরএএফ ফেয়ারফোর্ড মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি অগ্রবর্তী অপারেশন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে অভিযান পরিচালনার জন্য এই ঘাঁটি থেকে মার্কিন বোমারু বিমান উড্ডয়ন করেছে। ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটিটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিল যুক্তরাজ্য।
জুলাইয়ে ইরান সতর্ক করে বলেছিল, ইরানের ভূখণ্ডে আগ্রাসনের জন্য ব্যবহৃত যেকোনো ঘাঁটি আমাদের বাহিনীর বৈধ লক্ষ্যবস্তু।

