আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৬

তবে আগুনের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে সৌদি কর্তৃপক্ষ বা সৌদি আরামকো কোনো মন্তব্য করেনি। ছবি: রয়টার্স
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের দক্ষিণে একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানী রিয়াদের কাছে আরামকোর একটি তেল শোধনাগার থেকে আগুনের শিখা ও ঘন ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। পরে দমকলকর্মীরা সেখানে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।
তবে আগুনের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে সৌদি কর্তৃপক্ষ বা সৌদি আরামকো কোনো মন্তব্য করেনি।
হুতিদের মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে বলেন, হামলার পর লক্ষ্যবস্তুতে আগুন ধরে যায়। ইয়েমেনে হুতিদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায়, বিশেষ করে রাজধানী সানায়, সৌদি বিমান হামলার জবাবে এসব হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে ইয়েমেনের রাজধানী সানায় আল-সাবিন মাতৃ ও শিশু হাসপাতালের কাছে বিমান হামলার অভিযোগ উঠেছে। হুতি নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র দাবি করেন, স্থানীয় সময় শনিবার দুপুরে হাসপাতালের কাছের একটি এলাকায় সৌদি আরব এ হামলা চালায়। এতে হাসপাতাল ভবন, অভ্যন্তরীণ ওয়ার্ড ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সানায় সৌদি আরব আরও ২৬টি বিমান হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে হুতিরা। হুতি-ঘনিষ্ঠ আল-মাসিরাহ টেলিভিশনের দাবি, শনিবার এসব হামলা চালানো হয়।
এরমধ্যেই, ইয়েমেনের তাইজে হুতিদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অগ্রগতির দাবি করেছে সরকারি বাহিনী। তীব্র সংঘর্ষের পর সামা দুর্গের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার কথা জানিয়েছে তারা। সরকারি বাহিনীর দাবি, লড়াইয়ে বেশ কয়েকজন হুতি যোদ্ধা নিহত ও আহত হয়েছে, আর বাকিরা পালিয়েছে। স্থানীয় উপজাতীয় যোদ্ধারাও এই অভিযানে সরকারি বাহিনীকে সহায়তা করেছে। তাইজের পশ্চিমে জাবাল হাবাশি জেলায় জাবাল আজ্জানও দখলের দাবি করেছে সরকারি বাহিনী। একই সময়ে আল-কাদাহা, কাহবুবসহ কয়েকটি ফ্রন্টে হুতিদের সঙ্গে তীব্র লড়াই চলছে।
ইয়েমেনের সংঘাতের উত্তেজনা ছড়িয়েছে সৌদি আরবেও। রিয়াদে আরামকো তেল স্থাপনার কাছে শনিবার আগুন ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। হামলার দায় স্বীকার করেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি।

