আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২২

২০১৫ সালে হুতিরা রাজধানী সানা দখল করে সরকারকে উৎখাত করেছিল। ছবি: রয়টার্স
ছয়জন আঞ্চলিক ও পশ্চিমা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
অভিযানের পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের তথ্য মতে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ অভিযান শুরু হতে পারে। এতে সৌদি আরবের তত্ত্বাবধানে থাকা ইয়েমেনি বাহিনী স্থলভাগে নেতৃত্ব দেবে এবং তাদের সহায়তায় সৌদি বিমান হামলা চালানো হবে।
নিরাপত্তা সংক্রান্ত হওয়ায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ব্যক্তিরা জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইয়েমেনে সৌদি অভিযানে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহায়তা করছে। এছাড়া কয়েকটি আঞ্চলিক ও ইউরোপীয় দেশ সৌদি আরবকে মূলত প্রতিরক্ষামূলক সামরিক সহায়তা দিচ্ছে। তবে এসব মিত্র দেশ সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেবে না।
২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিতে আরব জোটের নেতৃত্বে দেশটির গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে সৌদি আরব। ওই সময় হুতিরা রাজধানী সানা দখল করে সরকারকে উৎখাত করেছিল। জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে ২০২২ সালে হওয়া যুদ্ধবিরতি চলতি বছর পর্যন্ত মোটামুটি কার্যকর ছিল। তবে ইরান যুদ্ধের জেরে হুতি ও সৌদি আরব পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়ালে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, সৌদির সম্ভাব্য অভিযানের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো গত মাসে হুতিদের দ্রুত অগ্রযাত্রা ঠেকানো। ওই সময় হুতিরা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেয়।
সৌদি আরব অভিযানের জন্য দুটি বিকল্প বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন উপসাগরীয় ও ইয়েমেনি কর্মকর্তারা। প্রথমটি হলো বাব আল-মান্দেবের আশপাশে সীমিত পরিসরে অভিযান। দ্বিতীয়টি হলো আল-বায়দা, মারিব, তাইজ ও আল-জাওফসহ ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় সমন্বিতভাবে একাধিক ফ্রন্টে বড় ধরনের অভিযান।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযানের পরিধির ওপর নির্ভর করে এক লাখের বেশি ইয়েমেনি সেনাকে মোতায়েন করা হতে পারে। তবে সৌদি আরব, ও ইয়েমেন সরকার, হুতি গোষ্ঠী এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর মুখপাত্ররা এ পরিকল্পনা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স

