রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৭

জলবায়ু বিপর্যয়ের কারণে সম্ভবত হিমবাহটি দুর্বল হয়ে পড়েছিল। পরে সেটি ধসে গত মাসে নেপাল ও তিব্বতে ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। এতে শত শত মানুষ প্রাণ হারান। এ দুর্যোগ নিয়ে প্রথম বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
গবেষকেরা হিমবাহধসের আগে ওই অঞ্চলে অস্বাভাবিক উষ্ণ আবহাওয়া শনাক্ত করেছেন। হিমবাহটি ধসে পড়ার পর প্রায় ১১ কোটি ঘনমিটার তুষার ও বরফ নিচের উপত্যকায় নেমে আসে। এতে প্রায় নজিরবিহীন আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। কোনো সতর্কতা ছাড়াই ভাটির জনপদগুলোয় আঘাত হানে সেই বন্যা।
লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের জলবায়ুবিজ্ঞানের অধ্যাপক ফ্রিডেরিকে অটো বলেন, ‘হাজার হাজার মাইল দূরে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে হওয়া নিঃসরণ যে সংকট তৈরি করেছে, নেপালের মানুষ জীবন দিয়ে তার মূল্য দিচ্ছেন।’ ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন এ গবেষণা করেছে।

