রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৪১

কাচের ছোট্ট একটি বোতল। ভেতরে সবুজ রঙের ক্ষুদ্র একটি উদ্ভিদ। খালি চোখে দেখলে সেটিকে গবেষণাগারের সাধারণ কোনো পরীক্ষার নমুনা বলেই মনে হতে পারে। অথচ কয়েক মাস পর এই ক্ষুদ্র টিস্যুই রূপ নেয় হাজার হাজার রোগমুক্ত চারায়। সেগুলো নিয়েই শুরু হয় বিভিন্ন ফুল, ফল ও শোভাবর্ধক উদ্ভিদের বাণিজ্যিক চাষাবাদ।
চারা উৎপাদনের এই ব্যবস্থাকে বলা হয় টিস্যু কালচার প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে দেশেই এখন কলা, আনারস, স্ট্রবেরি, ড্রাগন ফল, অর্কিড, লিলিয়াম, জারবেরা, স্টেভিয়া ও পেঁপেসহ উচ্চমূল্যের বিভিন্ন ফল, ফুল ও শোভাবর্ধক উদ্ভিদের রোগমুক্ত চারা উৎপাদিত হচ্ছে। ফলে কৃষকেরা তুলনামূলক কম দামে উন্নত মানের চারা পাচ্ছেন। কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি দেশের বাণিজ্যিক কৃষিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে এবং আর্থিক সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।
এ নিয়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু নোমান ফারুক আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘সারা বিশ্বেই বাণিজ্যিক কৃষিতে টিস্যু কালচার প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে। বাংলাদেশও সেই পথে এগোচ্ছে। আধুনিক কৃষির বিকাশ এবং রোগমুক্ত চারা তৈরি ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এ প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়াতে হবে। কারণ, অল্প জায়গায় লাখ লাখ রোগমুক্ত চারা উৎপাদনে এর বিকল্প নেই।’

